সর্বশেষ হালনাগাদ: ১ অক্টোবর, ২০২৬
এই গোপনীয়তা নীতিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে— আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করার সময় আপনার কী তথ্য সংগ্রহ করা হয়, কেন করা হয়, কতদিন তা রাখা হয়, কাদের সঙ্গে তা শেয়ার হতে পারে এবং আপনার কী কী অধিকার রয়েছে।
দ্য হুইসেল লিমিটেড, বাংলাদেশে নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে দ্য হুইসেল পরিচালিত হয়।
ওয়েবসাইট: thewhistle.news
এই নীতিটি ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৬৩ নং আইন) অনুসারে প্রণীত। এই আইন পূর্ববর্তী ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ ও ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ রহিত করেছে।
আপনি ওয়েবসাইট ব্যবহার করলে সার্ভার লগ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে নিচের তথ্য সংগৃহীত হতে পারে:
আইপি অ্যাড্রেস ও অনুরূপ অনলাইন শনাক্তকারী তথ্য আইন অনুযায়ী ব্যক্তিগত উপাত্ত হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই আমরা এই তথ্য সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় মাত্রায় সংগ্রহ করি এবং যত দ্রুত সম্ভব শনাক্ত করা যায় এমন উপাত্ত মুছে ফেলি।
আপনি ইমেইল, যোগাযোগ ফর্ম বা অন্য কোনো মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আপনার দেওয়া নাম, ইমেইল অ্যাড্রেস, ফোন নম্বর বা বার্তার বিষয়বস্তু আমরা সংগ্রহ করি। এই তথ্য কেবল আপনার সঙ্গে যোগাযোগ ও আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
কেউ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের উদ্দেশ্যে তথ্য, নথি বা প্রমাণ পাঠালে তা সাধারণ ব্যবহারকারীর তথ্য থেকে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে, অতিরিক্ত সুরক্ষাসহ সংরক্ষণ করা হয়। বিস্তারিত ধারা ৭-এ।
আমরা নিচের ভিত্তিগুলোর ওপর নির্ভর করে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়া করি:
উল্লেখ্য, সম্মতি গ্রহণ থেকে অব্যাহতি পাওয়া মানে উপাত্তের নিরাপত্তা, সীমিত ধারণ ও যথাযথ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি নয়। এসব ক্ষেত্রেও আমরা আইনের অন্যান্য বিধান মেনে চলি।
কুকি হলো ছোট উপাত্ত ফাইল, যা আপনার ব্রাউজার বা ডিভাইসে সংরক্ষিত হতে পারে। আমরা নিচের শ্রেণির কুকি ব্যবহার করি:
আপনি ব্রাউজার সেটিং বা আমাদের কুকি প্রেফারেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো সময় আপনার পছন্দ পরিবর্তন করতে পারেন।
গুরুত্বপূর্ণ: “তথ্য পাঠান”, “সূত্র হোন” ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত পেজগুলোতে আমরা প্রয়োজনীয় কুকি ছাড়া অন্য কোনো কুকি, বিশ্লেষণ স্ক্রিপ্ট বা থার্ড-পার্টি ট্র্যাকিং ব্যবহার করি না। যারা তথ্য দিতে আসেন, তাদের ওয়েবসাইট ভ্রমণের কোনো রেকর্ড যেন বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে না যায়— এটি নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।
ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স ও পাঠকের আগ্রহ বুঝতে আমরা বিশ্লেষণধর্মী সেবা ব্যবহার করি। এর মাধ্যমে ব্রাউজার, ডিভাইস, অপারেটিং সিস্টেম, আনুমানিক অবস্থান, পেজ ভিউ ও ওয়েবসাইটে চলাচল সম্পর্কিত তথ্য সংগৃহীত হয়।
এই তথ্য আমরা ব্যবহার করি কারিগরি সমস্যা শনাক্ত করতে, কোন প্রতিবেদন পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতে এবং আমাদের সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল প্রকাশনা আরও কার্যকর করতে।
আপনি চাইলে আমাদের কুকি প্রেফারেন্স ব্যবস্থায় বিশ্লেষণ কুকি প্রত্যাখ্যান করে এই ট্র্যাকিং থেকে বিরত থাকতে পারেন। ব্রাউজারের বিজ্ঞাপন-প্রতিরোধক এক্সটেনশন বা সংশ্লিষ্ট সেবার নিজস্ব অপ্ট-আউট টুলও ব্যবহার করতে পারেন।
আমাদের ওয়েবসাইটে ফেইসবুক ও ইউটিউবের লিংক এবং এমবেডেড কনটেন্ট থাকতে পারে। ভবিষ্যতে অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হলে সেগুলোর ক্ষেত্রেও এই ধারা প্রযোজ্য হবে।
এসব এমবেডেড কনটেন্ট দেখলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম আপনার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে— আপনি সেখানে ক্লিক না করলেও। এই তথ্য সংগ্রহ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব গোপনীয়তা নীতির অধীন।
এই ঝুঁকি কমাতে আমরা সংবেদনশীল পেজগুলোতে কোনো এমবেড ব্যবহার করি না।
সংগৃহীত তথ্য আমরা কেবল নিচের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করি:
যে উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, আপনার সম্মতি ছাড়া তার বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমরা তা ব্যবহার বা প্রকাশ করি না।
সূত্রের গোপনীয়তা দ্য হুইসেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই ধারা আমাদের সম্পাদকীয় নীতিমালার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বেনামি সূত্রের পরিচয় আমরা প্রকাশ করি না।
এই প্রতিশ্রুতি রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তথ্য সংগ্রহই না করা। তাই আমরা নিচের নীতি অনুসরণ করি:
স্পর্শকাতর তথ্য পাঠানোর জন্য সাধারণ ইমেইল বা এসএমএস নয়, নিচের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করুন:
তবে ইন্টারনেটভিত্তিক কোনো যোগাযোগব্যবস্থাকেই সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত বলে নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। নিজের নিরাপত্তার জন্য কী কী সতর্কতা নেবেন, তা “তথ্য পাঠান” পাতায় বিস্তারিত দেওয়া আছে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজনে আমরা এমন ব্যক্তিদের তথ্যও সংগ্রহ ও যাচাই করি, যারা আমাদের ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারী নন— যেমন সরকারি নথি, আদালতের রেকর্ড, কোম্পানি নিবন্ধন, সম্পদের হিসাব বা প্রকাশ্য বক্তব্য।
এই প্রক্রিয়াকরণ ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ধারা ২৪(১)(ঝ)-এ বর্ণিত জনস্বার্থে সাংবাদিকতা-সংক্রান্ত অব্যাহতির আওতাভুক্ত, ফলে এর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্বসম্মতি প্রয়োজন হয় না। অন্যথায় ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে কোনো অনুসন্ধানই সম্ভব হতো না।
এক্ষেত্রেও আমরা যা মেনে চলি:
প্রকাশিত প্রতিবেদন আমাদের সাংবাদিকতার স্থায়ী রেকর্ড। জনস্বার্থে প্রকাশিত ও যাচাইকৃত প্রতিবেদন মুছে ফেলার অনুরোধ আমরা সাধারণত গ্রহণ করি না।
আমরা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করি না এবং বিপণনের উদ্দেশ্যে কারও সঙ্গে বিনিময় করি না।
ওয়েবসাইট পরিচালনার প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে নিচের ধরনের সেবাদাতার সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান হতে পারে:
এসব সেবাদাতা কেবল আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সেবা পরিচালনার প্রয়োজনেই তথ্য ব্যবহার করতে পারে। আইন অনুযায়ী তাদের কাজের দায়ও আমাদের ওপর বর্তায়, তাই আমরা যথাসম্ভব গোপনীয়তা-সুরক্ষিত সেবাদাতা নির্বাচন করি।
আইনগত বাধ্যবাধকতা বা আদালতের বৈধ আদেশের ক্ষেত্রে তথ্য প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে। তবে সূত্র-সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে ধারা ৭-এ বর্ণিত নীতি প্রযোজ্য— আমরা প্রাপ্য সব আইনি প্রতিকার ব্যবহার করে তার বিরোধিতা করি।
আমাদের কাছে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য অননুমোদিত প্রবেশ, প্রকাশ, পরিবর্তন বা ধ্বংস থেকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা যুক্তিসঙ্গত কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি— যার মধ্যে রয়েছে এনক্রিপশন, ছদ্মনামকরণ, সীমিত প্রবেশাধিকার এবং নিয়মিত নিরাপত্তা পর্যালোচনা।
তবে কোনো অনলাইন সেবাকেই শতভাগ নিরাপদ বলে নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
কোনো নিরাপত্তা চ্যুতির কারণে ব্যক্তিগত উপাত্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে আমরা দ্রুত তা তদন্ত করি, ক্ষতি সীমিত করার ব্যবস্থা নিই এবং আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী নির্ধারিত পদ্ধতি ও সময়সীমার মধ্যে জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি।
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আমরা জানাই, যাতে তাঁরা প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিতে পারেন।
ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী আপনার নিচের অধিকারগুলো রয়েছে। এই অধিকারগুলো অলঙ্ঘনীয়— কোনো চুক্তি বা নোটিশ দিয়ে সেগুলো বাতিল করা যায় না।
এসব অধিকার প্রয়োগ করতে লিখিতভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন: [email protected]
আমরা অনুরোধ পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব, সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করি। কোনো অনুরোধ রক্ষা করা সম্ভব না হলে তার যৌক্তিক কারণ আমরা লিখিতভাবে জানাই।
সীমাবদ্ধতা: সাংবাদিকতার সূত্র সুরক্ষা, প্রকাশিত প্রতিবেদনের অখণ্ডতা কিংবা আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে অনুরোধ পূর্ণভাবে রক্ষা করা সম্ভব নাও হতে পারে। এ ধরনের সীমাবদ্ধতা আইনেই স্বীকৃত।
আমাদের কাছে আপনার তথ্য-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে প্রথমে সরাসরি আমাদের জানানোর অনুরোধ করছি— আমরা তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।
আমাদের ওয়েবসাইট সাধারণ পাঠকের জন্য তৈরি এবং বিশেষভাবে শিশুদের লক্ষ্য করে নয়। ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী যেকোনো ব্যক্তি শিশু হিসেবে গণ্য।
আমরা জেনেশুনে শিশুদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করি না। আইন অনুযায়ী শিশুর তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবকের সম্মতি প্রয়োজন।
কোনো অভিভাবক যদি মনে করেন তাঁর সন্তানের তথ্য আমাদের কাছে সংগৃহীত হয়েছে, অনুগ্রহ করে [email protected]-এ যোগাযোগ করুন— আমরা যাচাই করে প্রয়োজনে তা মুছে ফেলব।
প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা এই গোপনীয়তা নীতি হালনাগাদ করতে পারি। পরিবর্তন করা হলে এই পাতায় নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হবে এবং উপরে “সর্বশেষ হালনাগাদ”-এর তারিখ সংশোধন করা হবে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আমরা ওয়েবসাইটে সুস্পষ্ট নোটিশ দেব।
এই গোপনীয়তা নীতি বাংলাদেশের প্রযোজ্য আইন, বিশেষত ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী পরিচালিত ও ব্যাখ্যা করা হবে।
এই গোপনীয়তা নীতি বা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে যোগাযোগ করুন:
দ্য হুইসেল লিমিটেড
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: thewhistle.news
স্পর্শকাতর বা সূত্র-সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য অনুগ্রহ করে সাধারণ ইমেইল ব্যবহার না করে ধারা ৭-এ উল্লিখিত নিরাপদ মাধ্যম ব্যবহার করুন।